মধ্যবয়সী নারীর প্রতি কমবয়সী ছেলের আকর্ষণ হয় কেন?

মধ্যবয়সী নারীর প্রতি কমবয়সী ছেলের আকর্ষণ হয় কেন? প্রশ্নটির ভিতরে বেশ বাস্তবতা বিদ্যমান।
কমবয়সী ছেলেদের (২০-৩৫) যৌন শক্তি অনেক বেশি থাকে৷ তাই তারা এমন নারীর সাথে সেক্স করতে চায় যার দেহ শারীরিক ভাবে ফুটে উঠেছে। তাদের প্রয়োজন পড়ে বড় বুক যা সেক্স করার সময় বাউন্স করবে। তাই ২৫ বছরের ছেলে ৪০ বছরের মহিলাকে যৌন আকর্ষন করা স্বাভাবিক।

আবার যখন বয়সে ভাটা পড়ে ৫০ পেরিয়ে ৫৩-৫৫ দাড়ায় তখন কম বয়স্ক মেয়েদের ভালো লাগবে। বয়স্ক পুরুষরা তখন এর মাঝে নিজ মেয়ের মতো চঞ্চল একটি মেয়ে জীবনসঙ্গী হিসেবে পছন্দ করে৷ তাই বলে বাল্যবিবাহ করলে চলবে না। কেননা কেবল নিজের চিন্তা করলে হবে না। এমন কিছু করতে হবে যা ঐ বালিকার জন্যে ভালো হয়৷

যৌন আকর্ষণ খুবই একটি সাধারণ বিষয়। বিষয়টি সাধারণ হলেও, এ নিয়ে আলোচনা রক্ষণশীল সমাজে “অসাধারণ” ঘটনা, কারণ বিষয়টি ভীষণ ট্যাবু। ‌এখানে যদি কম বয়সের সংজ্ঞা ২০-২১ আর মধ্যবয়সী ৪০+ ধরি, তাহলে কিছু বাস্তব পয়েন্ট খুঁজে পেতে পারিঃ নিশ্চয়তা অনুভবঃ এই বয়সের নারীরা সাধারনত বিবাহিত হয়ে থাকেন। তাদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়াতে পারলে বিবাহ করার ঝুঁকি খুবই কম থাকবে, এই চিন্তা থেকে ছেলেরা এক ধরনের নিশ্চয়তা অনুভব করে।

যৌনতা প্রকৃতির কৌশলী ফাঁদ।
যা প্রকৃতির উদ্দেশ্যকে বাস্তবায়ন করে।
এটা এক প্রকার পদ্ধতি যা উৎপাদনশীলতা বজায় রাখে। যৌনতা যন্ত্রণাময় কেন?
যৌনতা– এটা তোমাকে পশু প্রবৃত্তির কথা মনে
করিয়ে দেয়, এটা তোমাকে অতীতে টেনে নেয়।
এটা তোমাকে মনে করিয়ে দেয় শারীরিক সীমাবদ্ধতার কথা। যৌনতা মনে করিয়ে দেয় তুমি মুক্ত নও।
তুমি স্বাধীন নও প্রকৃতি থেকে।
তুমি প্রবৃত্তির দাস মাত্র।
নারীর প্রতি নেতিবাচক মনোভাবঃ এই বয়সী নারীদের সঙ্গে ”কোনরূপ সম্পর্ক” করতে পারলে সেটাকে সহজেই যৌন সম্পর্কে রূপান্তর করা যাবে, এরূপ একটা নেতিবাচক ভাবনা থেকে অল্প বয়সী ছেলেরা তাদের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে। বিশেষ করে যে নারীদের স্বামী দূরের কোনো স্থানে অবস্থান করে তাদের প্রতি এই নেতিবাচক ধারণা আরো তীব্র হয়।

মনস্তাত্ত্বিক বিষয়ঃ সহজ পুরুষ প্রবৃত্তি অপেক্ষাকৃত মেদবহুল স্ফীত কোমর, স্তন এগুলোতে তীব্র যৌন আকাঙ্ক্ষা অনুভব করে। সমবয়সী মেয়েদের চেয়ে বিবাহিত মধ্যবয়সী নারী এক্ষেত্রে বেশ এগিয়ে থাকে।

সহজ যোগাযোগঃ আমাদের সাধারণ সমাজে একজন মধ্যবয়স্ক বিবাহিত নারীর সঙ্গে যত সহজে কথোপকথন আলাপচারিতা করা যায়, একজন অবিবাহিত কুমারী নারীর সঙ্গে কত সহজে কথাবার্তা বলা যায় না। এই সহজ কমিউনিকেশন তাদেরকে একটা ফ্যান্টাসিতে নিয়ে যায়। ইনবিল্ট শব্দ ও মগজ ধোলাইঃ আমাদের সমাজে “ভাবি” “বৌদি” শব্দগুলো এমনভাবে বিবর্তিত হয়েছে, যেন তাদের সঙ্গে রঙ্গ-রস, হাসি-তামাশা মজার চটুল কৌতুক, অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ এগুলো করা যায়। বাল্যকাল থেকেই নানাবিধ সামাজিক ওরিয়েন্টেশনে এই ধারণাগুলো মগজস্থ হয়। ফলে ছেলেদের মধ্যে ভাবি/বৌদিদের প্রতি তীব্র আকর্ষণ সৃষ্টি হয়।

তীব্র যৌন আকাঙ্ক্ষাঃ কৈশোর উত্তীর্ণ এই বয়সী যুবকদের খুবই যৌন আকাঙ্ক্ষা থাকে। তারা বিপরীত লিঙ্গের প্রতি খুবই আকর্ষণ অনুভব করে।
পরিশেষে এটাও বলি, এক গবেষণা থেকে জানতে পেরেছিলাম, মেয়েরা যৌন নির্যাতনের শিকার সমবয়সীদের চাইতে চল্লিশোর্ধ বয়স্ক পুরুষদের দ্বারাই বেশি হয়ে থাকে। কাজেই প্রশ্নটি উল্টিয়েও দেওয়া যেতে পারে, মধ্যে বয়সী পুরুষেরা কেন অল্প বয়সী নারীদের প্রতি বেশি আকর্ষিত হয়। যৌন আকর্ষণ সৃষ্টিকর্তার অপরূপ এক সৃষ্টি, এ আকর্ষণ থাকবেই। সবাই যেন সামাজিক রীতিনীতির মধ্যে শৃংখলাবদ্ধ থাকি এটাই প্রত্যাশা।

কারণ বেশিরভাগ ছেলে মনে করে যে মধ্যবয়সী মেয়েরা অভিজ্ঞ। এবং এটা অনেকটা সত্য। কারণ তরুন মেয়েরা যৌনসম্পর্কে ভালোভাবে অভ্যস্ত না হলেও মধ্যবয়সী মেয়েরা এসব বিষয়ে পূর্বেই অনেক অভিজ্ঞ। মধ্যবয়সী মেয়েরা তুলনামূলকভাবে অনেক সুঠাম দেহের অধিকারী। আমেরিকায় একটি মনোবৈজ্ঞানিক জরিপে তথ্য উঠে এসেছে যে ১০০০ পুরুষের মধ্যে ৬৭২ জন পুরুষই ডেটিং এর জন্য এবং যৌনসঙ্গী হিসেবে মোটা মেয়েকে পছন্দ করে। জরিপটি অবিশ্বাস্য কিন্তু সত্য। ইয়াং জেনারেশনের মেয়েরা সিনেমার অভিনেত্রী, মডেলদের অনুকরণ করে নিজেকে স্লিম রাখার জন্য কম খাদ্যগ্রহণ করে। এইজন্য ম্যাক্সিমাম ১৫-২৫ বছরের মেয়েরাই চিকন স্বাস্থ্যের অধিকারী। বর্তমানে অধিকাংশ ছেলে চিকন মেয়ে পছন্দ করছে না।এইজন্য বেশিরভাগ ছেলে মধ্যবয়সীদের দিকে ছুটছে। যৌনতার প্রতি আগ্রহ মধ্যবয়সী রমনীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। যা তরুণীদের মধ্যে বেশি দেখা যায় না। মধ্যবয়সী রমণীরা যৌনজীবন আনন্দময় করে রাখতে পারে বেশি। কিন্তু তরুণীরা অনভিজ্ঞ হওয়ায় এটা কিছুটা কঠিন। বেশিরভাগ ছেলে গোছালো মেয়েদের পছন্দ করে। যা মধ্যবয়সী নারীদের মধ্যে পরিলক্ষিত হয়।

Scroll to Top