সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী হুজুরের পবিত্র চেহলাম।

আজ ৫ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার মহান সংস্কারক মোহাম্মদী ইসলামের পুনর্জীবনদানকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা সূফী সম্রাট হযরত সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর পবিত্র চেহলাম। এই উপলক্ষ্যে রাজধানীর মতিঝিলের আরামবাগস্থ বাবে রহমত দেওয়ানবাগ শরীফে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বাদ জুমা বিশেষ আশেকে রাসুল (সা.) মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত মহতি অনুষ্ঠানে দেশে-বিদেশে অবস্থিত সকল আশেকে রাসুল ভাই-বোনদেরকে দেওয়ানবাগ শরীফের পক্ষ থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হওয়ার জন্য আহ্বান জানানো যাচ্ছে।

তুমি যে সুন্দর বিধাতারও নূর...!!

সূফী সম্রাট হুজুর কেবলাজান গত ২৮ ডিসেম্বর, সোমবার ২০২০ খ্রি. সকাল ৬টা ৪৮ মিনিটে রাজধানীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ওফাত লাভ করেন এবং গত ২৯ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা সূফী সম্রাট হুজুর কেবলাজানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। অতঃপর মতিঝিলের বাবে মদীনা দেওয়ানবাগ শরীফে তাঁর সহধর্মিণী হযরত সৈয়দা হামিদা বেগম (রহ.)-এর রওজার পাশে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী হুজুর কেবলাজান ৩নং সেক্টরের প্লাটুন কমান্ডার হিসেবে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে যুদ্ধ করেন এবং যুদ্ধ শেষে তিনি সেনাবাহিনীর ১৬ বেঙ্গল রেজিমেন্টে রিলিজিয়াস টিচার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মোহাম্মদী ইসলাম প্রচারের জন্য সর্বমোট ১১টি দরবার শরীফ, শতাধিক খানকাহ্ শরীফ ও সহস্রাধিক আশেকে রাসুল জাকের মজলিস প্রতিষ্ঠা করেন। দেশে-বিদেশে সূফী সম্রাট হুজুর কেবলাজানের ৩ কোটিরও বেশি মুরিদ সন্তান রয়েছে। বর্তমানে শতাধিক দেশে সূফী সম্রাট হুজুর কেবলাজানের ধর্মীয় দর্শন, শিক্ষা ও আদর্শ প্রচারিত হচ্ছে এবং বহুলভাবে সমাদৃত হচ্ছে। তাঁর প্রধান শিক্ষা- আত্মশুদ্ধি, দিল জিন্দা, নামাজে হুজুরি অর্জনের মাধ্যমে কোটি কোটি লোক আশেকে রাসুল হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

উল্লেখ্য, সূফী সম্রাট হুজুর কেবলাজান এলমে তাসাউফ ও আধ্যাত্মিক সাধনার মাধ্যমে মহান আল্লাহ্ যে নিরাকার নন, তাঁর নুরের রূপ রয়েছে এটি প্রমাণ করে ৮ খণ্ড তাফসীর শরীফ ‘তাফসীরে সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী’ গ্রন্থ রচনা করেন। সেখানে তিনি মহান আল্লাহর জাতপাক ও সিফাতের উপর বিশদভাবে বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া তিনি ২০টির অধিক কিতাব লিখেছেন। যার মাধ্যমে মানুষ মহান আল্লাহ ও হযরত রাসুল (সা.)-এর সত্যিকার পরিচয় লাভ করার সুযোগ পেয়েছেন।

Scroll to Top