হযরত ইমাম মাহাদী (আঃসাঃ) এর সত্যের বাণীতে মিথ্যার মৃত্যু ঘটেছে। -সূফী সম্রাট।

হযরত ইমাম মাহাদী (আঃসাঃ) এর সত্যের বাণীতে মিথ্যার মৃত্যু ঘটেছে 👇

ইমাম মাহ্দী আসিলেন চারজন ইমাম সঙ্গে করে... -এ আর জসিম খান।
বরং আমি সত্যকে মিথ্যার উপর নিক্ষেপ করি, অতঃপর সত্য মিথ্যার মস্তক চুর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়, অতঃপর মিথ্যা তৎক্ষণাৎ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। তোমরা যা বলছ, তার জন্যে তোমাদের দুর্ভোগ। -সুরা আম্বিয়া ২১:১৮
 
সত্য যখন আসবে মিথ্যা দূর হবে। আর মিথ্যা তো স্থায়ী থাকে না এটা দূর হবেই। বাতি জ্বালালে অন্ধকার চিৎকার করেও যদি বলে আমি যাবো না, তার থাকার কোন অধিকার নেই। বাতি জ্বালালে অন্ধকার দূর হবেই। -সূফী সম্রাট হযরত শাহ্ দেওয়ানবাগী (রহঃ)
 
তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না এবং জানা সত্ত্বে সত্যকে তোমরা গোপন করো না। -সুরা বাকারা ২:৪২
 
আমি যাদেরকে কিতাব দান করেছি, তারা তাকে চেনে, যেমন করে চেনে নিজেদের পুত্রদেরকে। আর নিশ্চয়ই তাদের একটি সম্প্রদায় জেনে শুনে সত্যকে গোপন করে। -সুরা বাকারা ২:১৪৬
 
হে আহলে কিতাবগণ, কেন তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে সংমিশ্রণ করছ এবং সত্যকে গোপন করছ, অথচ তোমরা তা জান। -সুরা আলে ইমরান ৩:৭১
 
আর তারা রসূলের প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে, তা যখন শুনে, তখন আপনি তাদের চোখ অশ্রু সজল দেখতে পাবেন; এ কারণে যে, তারা সত্যকে চিনে নিয়েছে। তারা বলেঃ হে আমাদের প্রতি পালক, আমরা মুসলমান হয়ে গেলাম। অতএব, আমাদেরকেও মান্যকারীদের তালিকাভুক্ত করে নিন। -সুরা মায়েদা ৫:৮৩
 
সকল নবী, সকল রাসূলগণ মোরাকাবা করে নিজের মাঝে খুঁজে আল্লাহর পরিচয় লাভ করেছেন, আল্লাহর সাথে যোগাযোগ করেছেন। আর যারা কিতাব পড়েছে, ক্বালব সম্বন্ধে জানে না তাদের সম্বন্ধে কোরআনে আল্লাহ বলেছেন- যার ক্বালবে আমার জিকির জারি নেই সে প্রকাশ্য বিপথগামী। আল্লাহ যাকে বিপথগামী বলেন সে কি নায়েবে রাসূল হতে পারে? -সূফী সম্রাট হযরত শাহ্ দেওয়ানবাগী (রহঃ)
 
যারা সত্য নিয়ে আগমন করছে এবং সত্যকে সত্য মেনে নিয়েছে; তারাই তো খোদাভীরু। সুরা যুমার ৩৯:৩৩
 
পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ্‌ ঘোষণা করেন- “আমার সৃষ্টির মধ্যে এমন এক সম্প্রদায় রয়েছে যারা মানুষকে সত্যের পথ দেখায় ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করে।”
অর্থাৎ- আল্লাহ্‌ কর্তৃক সৃষ্ট মানুষ দূই সম্প্রদায়ে বিভক্ত; একদল হলেন যাঁরা হেদায়েতকারী মহামানব এবং অন্যদল হলো যারা হেদায়েতকারী মহামানবের অনুসরণের মাধ্যমে শান্তি ও মুক্তি লাভকারী সাধারণ মানুষ। -সূফী সম্রাট হযরত শাহ্ দেওয়ানবাগী (রহঃ)
 
ওই ব্যক্তির জন্য কঠিন শাস্তি, কঠিন শাস্তি এবং
কঠিন শাস্তি যে কেবল লোক হাসাতে মিথ্যে বলে।’৷
[আবূ দাউদ : ৪৯৯০]
 
কাফেরদিগকে বলে দিন, খুব শিগগীরই তোমরা পরাভূত হয়ে দোযখের দিকে হাঁকিয়ে নীত হবে-সেটা কতই না নিকৃষ্টতম অবস্থান।
 
আল্লাহর সাথে যাদের যোগাযোগ আছে, তারা আল্লাহর নির্দেশেই ধর্ম করে। তারা স্বেচ্ছাচারী হয় না, মনগড়া ধর্ম পছন্দ করে না। আমাদের এখানে আমরা চেষ্টা করি কিভাবে মানুষ আল্লাহর ইচ্ছায় চলবে, তার বিপদ দূর হবে,কিভাবে এবাদত করলে তার এবাদত কবুল হবে। -সূফী সম্রাট হযরত শাহ্ দেওয়ানবাগী (রহঃ)
 
বিশ্বাস তিন প্রকার- এলমুল একিন, আইনুল একিন, হাক্কুল একিন। এলমুল একিন হলো জ্ঞানের দ্বারা যে বিশ্বাস করা হয়। আইনুল একিন হলো চাক্ষুষ দেখে যে বিশ্বাস। হাক্কুল একিন হলো নিজের মধ্যে উপলব্দি করে যে বিশ্বাস। এ স্তরগুলো অতিক্রম না করা পর্যন্ত মঞ্জিলে মকসুদে পৌঁছানো কঠিন হবে। -সূফী সম্রাট হযরত শাহ্ দেওয়ানবাগী (রহঃ)
Scroll to Top